বাঙালির পায়ের তলায় সরষে। ভ্রমণের নেশা এক তীব্র নেশা। কৃষ্ণপ্রেমের মতো সে মাদকের সুখ যে একবার আস্বাদন করেছে, সে সেই স্বাদ ফিরে পেতে চায় বারবার। শুধু স্থান নয়, তাঁর আকর্ষণের বিষয় মানুষ।

তাই ত নতুন দেশে, নতুন পরিস্থিতিতে, অচেনা মানুষদের মাঝখানে, অনভ্যস্ত আবহাওয়ায় চলে যেতে একটুও ভয় করে না। কোনও দেশে গিয়ে নিজেকে বাইরের লোক বলে মনে হয় না। মনে হয় না একা নিঃসঙ্গ। সর্বত্রই ঈশ্বর যেন মজুত রেখে দেন ভালোবাসার পেয়াদা।

বর্তমানে সমগ্র বিশ্বের করুণ অবস্থা।আমরা সকলেই সেই কঠিন পরিস্থিতির শিকার। তাবলে জীবনকে আনন্দ থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা আমাদের বাঙালিদের পক্ষে খুবই কঠিন ব্যাপার।কারণ বাঙালি মানেই সর্বদা ভ্রমণ পিপাসু।আর সেই কারণেই আমরা ক্রমশ ছুটে যাই নতুন নতুন স্থান পরিদর্শন করতে। বিরা র কাছেই অবস্থিত ‘হ্যাপি ভেলি পার্ক ‘।

প্রত্যেক বছরেই এই সময় এখানে অসংখ্য মানুষ-জনের ভীড় দেখা যায়। এই করোনা পরিস্থিতিতেও অনেক মানুষ তাদের পরিবার এবং পরিজনদের নিয়ে এখানে আসছেন ভ্রমণ করতে,কেউ কেউ আসছেন চড়ুইভাতি করতে।যদিও এখানকার মালিকের কথা অনুযায়ী অন্যান্য বছরের তুলনায় এখানে লোকসংখ্যা অনেকটাই কম। মূলত এই করোনা পরিস্থিতির কারণেই লোকসংখ্যা কমের কারণ।

তবে যথেষ্ট পরিমানে এখানে মানুষজন আসছেন আনন্দ করতে, ভ্রমণ করতে, চড়ুইভাতি করতে।
সুন্দর সুগঠিত একটি পার্ক, এর ভিতরে রয়েছে খোলা বড়ো মাঠ, সেখানে ছোটো থেকেই বড়ো সকলেই বসে গল্প, আনন্দ করে, রান্না করার জায়গা , বাচ্ছাদের খেলার জায়গা, বিভিন্ন রকমের রাইড,জলের মধ্যে বোটিং করারও ব্যবস্থা ইত্যাদি রয়েছে।

এই করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এখানে সতর্কতা অবলম্বন করেই মানুষজন ভ্রমণ, চড়ুইভাতি করতে আসছেন। এখানকার মালিকের কথা অনুযায়ী এখানে ৪০-৫০ জন কর্মীদের সাহায্যে নানান ভাবে সতর্কতার সাথে এই পার্কটি তারা খুলেছেন।

আগে প্রচুর লোকজন নিয়মিত আসতেন এখানে তবে এই পরিস্থিতিতে আগের থেকে তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম হলেও মানুষজন আসছেন আনন্দ করতে এবং তাদের পরিবার-পরিজনদের নিয়ে সময় কাটাতে।

এখানকার সমস্ত জায়গা স্যানিটাইস করা হচ্ছে নিয়মিত। মাস্ক এবং সমস্তরকম সতর্কতা মেনেই চলছে এখানে মানুষজনের সমাগম। এই শীতে সপরিবারে সতর্কতা মেনে ভ্রমণ এবং সঙ্গে চড়ুইভাতি করে আসলে মন্দ হয় না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here