নিজস্ব সংবাদদাতা: বসিরহাট মহাকুমার দুই বাংলার কয়েকশো বছরের ইছামতি নদীর ভাসান, বিশ্ব মহামারীর করোনার কারণে এবার বন্ধের সিদ্ধান্ত নিল টাকি পৌরসভা,
ইতিমধ্যে টাকি পৌরসভা ও পৌরসভার প্রশাসকদের মধ্যে তার চূড়ান্ত বৈঠক হয়ে গেছে।

ভীড় ও জমায়েত এড়াতে কোনরকম ভাবে ঝুঁকি নিতে চাইছে না টাকি পৌরসভা, এই কঠিন মহামারীর হাত থেকে তাই এবার প্রাচীন ঐতিহ্য পরম্পরা ইছামতি নদীর ঠাকুর বিসর্জন পুরোপুরি বন্ধ করতে বাধ্য হল।

তার একটাই কারণ যেভাবে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা জেলা জুড়ে লাফিয়ে লাফিয়ে আক্রান্ত সংখ্যা বাড়ছে তাতে কোন ঝুঁকি নিতে চাইছে না প্রশাসন, তাই এ বছরের মত ইছামতি নদীতে কোন ছোট বড় নৌকা পাশাপাশি প্রতিমা বিসর্জনের নৌকা নামবে না নদীতে।

টাকি পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রশাসক আজিজুল গাজী বলেন টাকি ও হাসনাবাদ ইছামতি নদীর ভাসান মানে বাংলা ছাড়াও বিভিন্ন রাজ্য ও বিদেশ থেকে প্রচুর পর্যটক আসে সেখানে কোনমতে জমায়েত করতে দেয়া যাবে না, আবেগ জড়িয়ে রয়েছে বারণ করা যাবে না, করোনা মহামারী জমিদার বাড়ি থেকে বারোয়ারি পুজোর ঠাকুর নদীর ধারে গিয়ে বিসর্জন দিয়ে চলে আসবে। তাও সেটা সামাজিক দূরত্ব মেনে।

বহু পরম্পরায় ইতিহাসের সাক্ষী টাকির বিসর্জন, আজ এই মহামারীর কারণে আপাতত বন্ধ রাখা হলো।প্রশ্ন হলো আগামিকাল শুক্রবার ইছামতি নদীর বক্ষে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও বাংলাদেশ বর্ডার পুলিশের সঙ্গে বসিরহাট পুলিশ জেলার আধিকারিকদের উচ্চ পর্যায়ে বৈঠক হবে ।

ইছামতি নদীরবিসর্জন বিধি মেনে হবে কিনা তার চূড়ান্ত পর্যায়ে বৈঠক পর জানা যাবে। জানালেন স্বয়ং পুলিশ সুপার কংকর প্রসাদ বা‌রুই।

আজিজুল গাজী, ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রশাসক টাকি পৌরসভা।

তাহলে টাকি পৌরসভা এমন সিদ্ধান্ত নিল কিকরে যা পুলিশের কাছে এ বিষয়ে কোনো তথ্য নেই। আগামীকাল বৈঠক হওয়ার পরে জানা যাবে ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here