প্রকাশ্য রাস্তায় শ্বশুরকে কুপিয়ে খুন করলো জামাই। অভিযুক্তের বাড়ি আগুন ক্ষুব্ধ জনতার। ঘটনাস্থলে পুলিশ। পলাতক অভিযুক্ত জামাই। ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়ার শান্তিপুর থানা এলাকায়। নদীয়ার শান্তিপুর থানার গোবিন্দপুর নিকুঞ্জ নগরের বাসিন্দা মিন্টু দাস। তার শালিকার মেয়ের সঙ্গে এক বছর আগে দেখাশোনা করে বিয়ে হয়েছিল ওই এলাকারই যুবক তাপস বিশ্বাসের।

অভিযোগ বিবাহের পর থেকেই অভিযুক্ত তাপস বিশ্বাসের বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল একাধিক মেয়ের সঙ্গে। তাপস বিশ্বাস এর স্ত্রী সেটা বুঝতে পারে। সেই কারণেই বিয়ের পর থেকে তাদের মধ্যে অশান্তি লেগেই থাকত। অশান্তির জেরে গত ছয় মাস আগে তাপসী বিশ্বাস এর স্ত্রী তাকে ছেড়ে বাবার বাড়িতে চলে যায়। অভিযোগ এরপর থেকেই রাগের ফুসছিল অভিযুক্ত জামাই তাপস বিশ্বাস।

যেহেতু তাপস বিশ্বাসের শ্বশুরবাড়ি ওই এলাকাতে সেই কারণে তাপস বিশ্বাসের সন্দেহ হয় শাশুড়ি এবং শ্বশুরের তত্ত্বাবধানেই তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যায়। সূত্রের খবর বেশ কয়েক দিন ধরে এলাকার মানুষদের নিয়ে মীমাংসার কথা চলছিল। অভিযোগ গতকাল রাতে মে শশুর মিন্টু বিশ্বাস যখন এলাকার একটি বাজার থেকে বাড়িতে ফিরছিল ঠিক তখন বাজারের একটু পাশে মূল অভিযুক্ত তাপস বিশ্বাস এবং তার কয়েকজন কে নিয়ে মিন্টু দাস এর ওপর হামলা চালায়।

ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয় মিন্টু দাসকে। কোপের আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে মিন্টু দাস।চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হতেই ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত তাপস বিশ্বাস ও তার সঙ্গীরা। তড়িঘড়ি স্থানীয়রা আশঙ্কাজনক অবস্থায় মিন্টু দাস কে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।

এরপরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। ক্ষিপ্ত জনতা আগুন লাগিয়ে দেয় অভিযুক্ত তাপস বিশ্বাস এর বাড়িতে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় শান্তিপুর থানার পুলিশ এবং দমকল কর্মীরা। তল্লাশি চালিয়ে অভিযুক্ত তাপস বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাপস বিশ্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার কারণ জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।অভিযুক্ত তাপস বিশ্বাস কে আজ রানাঘাট মহাকুমা আদালতে তোলা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here