ডায়মন্ড হারবার কেল্লার মাঠে মূল বক্তা হিসাবে উপস্থিত অভিষেক ব্যানার্জি ।

দলিয় সভা মঞ্চে আবারো দেখা গেলনা ডায়মন্ড হারবার বিধায়ক দীপক কুমার হালদারকে । সভায় উপস্থিত ছিলেন বজবজ বিধানসভার বিধায়ক অশোক দেব । ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক সৌকত মোল্লা ,বিষ্ণুপুর বিধান সভার বিধায়ক দীলিপ মন্ডল ।দেখা যায় নি সাতগাছায়া বিধানসভা সোনালী গুহ,মহেশতলা বিধায়ক দুলাল দাস ।

অভিষেক
আমাদের জনসভা করতে গেলে মিনিবাসের করে লোক আনতে হয় না । তিনটি ব্লক থেকে লোক এসেছে । আজ আনাদের কেন এই মাঠে মিটিং । দশ তারিখে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি এসেছিলেন|মিডিয়া দেখিয়েছে তাদের ইট পাটকেল । চাওলা মুড়িওলা প্রেস ভিডিয়া হয়ে পাঁচশ লোক হয়েছে । এসব ঢাকতে আজ নাটক করছে ।

১৪ ইমে ২০১৯ রাকেশ সিংমেন ভিকিটম যে মুর্তি ভেঙেছিল তাক নিয়ে এসেছে মিটিং । সাধারন মানুষের ক্ষোভ । কিছু মানুষ ক্ষোভ দেখিয়েছে । আমরা চাই ক্ষোভের মাধ্যম ইটের মাধ্যমে নয় ইভেমের মাধ্যমে দিতে হবে ।

মার্চ মাস থেকে সাংসদ তহবিলে ৫কোটি টাকা কেড়ে নিয়েছে । আমরা উন্নয়ন কোথায় করবো । সাতটা বিধানসভায় এই টাকা দিতো । সেটাও কেড়ে নিয়েছে নরেন্দ্র মোদী । মানুষের জনকল্যানের টাকা কেড়ে নিয়েছে । ৫৪৩ নোট । বাংলা ৪২ টা সাংসদ ফান্ড বন্দ । কোথায় যাবে মোদিবাবাুর ইলেকসান ফান্ডে যাবে ।


আমি ওপেন চ্যালেঞ্জ করছি আপধি আমার মাইনে কেটে নিনি ।

ফলতা মথুরাপুর জলের কাজ চলছে তিনমাসের মধ্য জলের প্রজেক্ট শুরু হবে । পাঁচ বছর আগে শিল্যান্যাশ হয়েছে ।


যারা বলে পূর্ব মেদিনীপুর কাজ হয়েছে এখানে হয়েছে তাদের বলি আগে আমাকে বিজেপি কর্মীদের কৈলাশ বিজয়বর্গীয় দীলিপ ঘোষ আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছে । আমি বলছি সে গুন্ডা । সে এখন আইনের পথ নিচ্ছে । আইনত লড়াই হোক কত ধানে কত চাল বুঝবে ।

যারা বলছে বিজেপির কথা শুনছে । বাংলাকে নরেন্দ্র মোদীর হাতে তুলে দিতে হবে ।বাংলাটা নরেন্দ্র মোদী হাতে তুলে দেখাক । ডায়মন্ড হারবার ভাইপো একমাত্র ভ্যাজে গোপরে পৌছে দিয়েছে ।

সারদায় তো খবরের কাগজ মুড়ে টাকা নিতে তোমায় দেখা গিয়েছে । সেতো তুমি । নাম না করে সুভেন্দু অধিকারীকে ধাক্কা । ইডির ভয়ে সিবিআয়ের ভয়ে বিজেপিতে যাচ্ছে । এখন বলছে তোলাবাছ ভাইপো হঠাও । আমার যদি কোন ভাবে তোলাবাজি দেখাতে পারো,আমি বলছি ফাসির মঞ্চ বানাও আমি সেখানে হাজির হবো ।

সব দিক মিডিয়া থেকে শুরু করে স্বাধীন ভাবে কাজ করতে পারেনা ।এদের পিছনে এডি সিবিআই লাগিয়ে দেবে । আমি চ্যালেঞ্জ করে গেলাম ৪২ টা কেন্দ্রের মধ্যে একটা করে দেখাক । আমি ৩১ শূন্য করবো এই জেলায় ।

এতো প্রেম অমিত সাহা আমার দাদা । তাহলে তোমার ভাইপোকে । নামনা করে শুভেন্দুকে আক্রমন ।


তৃণমূল দল করেছি ২১ বছর । নিজের বাড়ির লোককে ভাঙাতে পারেনা সে নাকি বাংলায় পদ্ম ফোটাবে ।সারদা ,রোজভ্যালি একাধিক মামলায় অভিযোগ রয়েছে । মেরুদন্ড বিক্রি হয়ে গেছে। যে বিজেপিতে যাবি যা । কিছুই হবে না । নন সটাইকার মমতা ব্যানার্জি আছে কিছু হবে না । ভাইরাস মুক্ত হচ্ছে দলটা । বাংলার মানুষের সঙ্গে তাদের জবাব দেননা দেবেন না |

লড়াই এর ময়দানেতে দেখা হবে । আমি বলে যাচ্ছি, সকলে বিজেপি যোগদান করে বাংলার মানুষকে বোকা বানাবে । বাংলার মানুষ বোকা নন ।
দীলিপ বাবু থেকে মুকুল বাবু সবার গায়ে জ্বলছে ।

বাংলায় সরকার দুয়ারের দুয়ারে তাদের মধ্য আবেগ বেঁধেছে । আর নোট বদলির সময় মানুষের মধ্য আতঙ্ক তৈরী হয়েছে ।

যতো দোশ নন্দ ঘোষ । তোলাবাজ ভাইপো হটাও । কয়লা থেকে গরু এগুলো কাদের আন্ডারে । সবতো অমিত সাহের আনডারে তাহলে আমার পিছনে কেন । যেদিন প্রমান হবে । আমার পিছনে কিছু লাগাতে হবে না । গলা কেটে দেবেন আমি পৌছে যাব । ক্ষমতা আছে পদ্ম ফোটাবে । তৃণমূল থেকে তিনচারটে নেতা কে শেষ করা যায় না । যতো কাটবে ততো বাড়বে ।

যারা বলে বাঙালির কোন অবদান নেই । তাদের জবাব দেবে । তৈরী থাকো । মমতা ব্যানার্জি বিজেপির হাত ধরে ছিল । সে বিজেপি রক্ত মাখা বিজেপি ছিল না । লড়াই আদর্লের লড়াই ব্যক্তি কেন্দ্রীক লড়াই নয় । এই নেতাড়া ছমাস আগে বলেছে বিজেপি হটাও । এখন বড় বড় কথা । মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হতে গেলে তোমাদের সাতবার পৌছাতে হবে না ।

কারোর ক্ষোভ বিক্ষোভ থাকতে পারে । রাজনৈতিক ভাবে লড়তে প্রস্তুত । ইভিএমে থাকো ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here