ঈশ্বরের দয়ায় রক্তমাংসের শরীর দিলেও শরীরের মধ্যে খাদ্যনালী দিলেন না। এর ফলে বিভিন্ন হাসপাতাল ঘুরে ছয়বার অপারেশন করে এখনো তার খাদ্যনালী না হওয়াতে গলার কাছে একটা ফুটো করে বাচ্চাকে দুধ খাওয়ায় তো এবং লিকুইড জিনিস খাইয়ে বাঁচিয়ে রেখেছে।

বাচ্চাটা বয়স এখন ১৫ মাস। ২০১৯ এর অক্টোবর মাসে জন্মগ্রহণ করে। বাচ্চাটার বাবা-মা মুখ বধির। বাচ্চাটার নাম আরমান মন্ডল। বাড়ির নরেন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত দক্ষিণ রামচন্দ্রপুরে।

বাচ্চার বাবা একটা প্রাইভেট কোম্পানীতে কাজ করে। যেটুকু সঞ্চয় করে সমস্ত টাকা সংসারে পিছনে চলে যায় । ছেলের পিছনে হিমশিম খেতে হয় তার বাবাকে ।তার মধ্যে থেকেও সামনের মাসের প্রথম সপ্তাহে কলকাতার ফুল বাগানে একটা হাসপাতালে তার অপারেশন হওয়ার কথা। কিন্তু সেখানে অনেক টাকা লাগবে তার জন্য এলাকার বিধায়িকা ফিরদৌসী বেগমের কাছে গিয়ে পুরো কথাটা জানায়।

তড়িঘড়ি সোনারপুর উত্তরের বিধায়িকা ফেরদৌসী বেগম 48 ঘণ্টার মধ্যে একটা স্বাস্থ্য সাথী কার্ড করে দেন।
আজকের বারুইপুর মহকুমা শাসকের দপ্তরে গিয়ে বিধায়িকা ফেরদৌসী বেগম ও মহকুমার শাসক সুমন পোদ্দার।

বাচ্চার পরিবারের হাতে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড তুলে দেন। এতে করে বাচ্চার পরিবার সবাই খুব খুশি। বাচ্চার মামাবাড়ি ও খুব গরীব এবং নিজেরাও খুব গরিব সেইহেতু স্বাস্থ্য সাথী কার্ড টা খুব প্রয়োজনীয় হয়ে পরে। সোনারপুর বাসীদের উদ্দেশ্যে বলেন।বিধায়িকা ফেরদৌসী বেগম সমস্ত মানুষের স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর প্রয়োজন ।

কোন বিবেচনায় পা না দিয়ে দুয়ারে সরকার এই যে প্রকল্প মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করেছে সেই প্রকল্পের অনুযায়ী 48 ঘণ্টার মধ্যে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড বানিয়ে বাচ্চার পরিবারের হাতে তুলে দিলাম এর সমস্ত কাজ কিন্তু মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর জন্য সম্ভব। এই স্বাস্থ্য সাথী কার্ড পাওয়ার ফলে পরিবার মুখে হাসি ফোটে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here