পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃত শিশুটির নাম সাইনা খাতুন(৭)। মৃত সাইনা আমতা-১ ব্লকের দেওড়া গ্রামের বাসিন্দা। এই দুর্ঘটনায় আরও সাতজন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে একটি টোটোয় চেপে সাইনা ও তার পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য চন্দ্রপুরের মাজার এলাকায় মেলা দেখতে যাচ্ছিল।

অভিযোগ, সেই সময়ই আমতা-ঝিখিরা রোডের গগন হরিতলার কাছে জয়পুরগামী একটি বাস দ্রুতগতিতে এসে টোটোয় ধাক্কা মারে। সাথে সাথেই টোটোটি উল্টে যায়। এই দুর্ঘটনায় বছর সাতেকের সাইনা প্রাণ হারায়।

আরও ৭ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে একাধিক শিশু রয়েছে। আহতদের ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে আমতা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। আহতদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উলুবেড়িয়া হাসপাতাল ও পিজিতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

এই ঘটনার পরই স্থানীয় বাসিন্দারা আমতা – ঝিখিরা রোডের গগন হরিতলা এলাকায় গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণের দাবি তোলেন। তাদের অভিযোগ, সেখানে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বাস থেকে শুরু করে নানা গাড়ি যাতায়াত করে।

স্থানীয়রা গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণের দাবিতে এলাকায় অবরোধ শুরু করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে আমতা থানার পুলিশ। পুলিশ দ্রুত অবরোধ তুলে দিয়ে যানচলাচল স্বাভাবিক করে।

তবে পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় মানুষ। লাঠিচার্জের ফলে কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ। যদিও লাঠিচার্জের অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাসটি জয়পুর-বাগনান রুটের। ফাঁকা বাসটি গ্যারেজ থেকে জয়পুরে ফিরছিল। ফেরার পথেই এই দুর্ঘটনা। হাওড়ার গ্রামীণ জেলা পুলিশের এক কর্তা জানান, ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

ঘাতক বাসটিকে ইতিমধ্যেই আটক করার পাশাপাশি বাসটির চালকের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here