ফরাক্কার ফিডার ক্যানেল এর ওপর নতুন সেতু তৈরি করছে এনটিপিসি। অভিযোগ ছিলো ৪ বছর হয়ে গেলেও সেতুর কাজ এখনও সমাপ্ত হয়নি।

এরফলে সমস্যায় পড়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ,পুরনো কেদারনাথ সেতু দিয়ে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছেলো তাদের,ফরাক্কার বিধায়ক মইনুল হক জানান সেতুর কাজ দ্রুত শেষ করতে বহুবার বলা হয়েছে এনটিপিসিকে বহু মিটিং হয়েছে দিল্লি ও বিষয়টা জানে কিন্তু এরা ঠিকমতো কাজ করছে না।


আট বছর আগে এই সেতুর নির্মাণকাজ শুরুর সময় স্থানীয় মানুষ ভেবেছিলেন খুব দ্রুততার সঙ্গে কাজ শেষ করবেন এনটিপিসি ।এর ফলে ফিডার ক্যানেল এর পশ্চিম পাড়ে যাতায়াতের সুবিধা হবে মানুষের,কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল চিত্রটা সম্পূর্ণ উল্টো।

সেতুর কাজ অর্ধসমাপ্ত হয়ে পড়ে রয়েছে বেশ কয়েকবছর ধরে।বাধ্য হয়ে কেদারনাথের সেতু তথা পুরনো সেতুর ব্যবহার করতে হচ্ছে মানুষজনকে।কিন্তু সেতুটি ভয়াবহ অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছে নতুন সেতু পথ তৈরী না হওয়ায় বাধ্য হয়ে সেটিকেই ব্যবহার করছে সকলে।

এনটিপিসির বড় বড় ছাই বোঝাই লরি এবং সিমেন্ট বোঝাই লরি চলছে এই পথে সেতু দিয়ে ,সাধারন পথচলতি মানুষদের, কলেজের

ছাত্র-ছাত্রী ,শিক্ষক-শিক্ষিকা প্রত্যেকেই যাতায়াতের পথ বলতে এই পুরোনো কেদারনাথের সেতু, যেকোনো সময় তা ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কায় রয়েছেন তারা।

কিন্তু এবার পশ্চিম পাড়ের পথ চলতি মানুষ থেকে শুরু করে সমস্ত গাড়িচালকের জন্য আসার আলো দেখাচ্ছে ফারাক্কার প্রাক্তন বিধায়ক তথা জাতীয় কংগ্রেসের সম্পাদক মইনুল হক তিনি সাংবাদিক বৈঠক করে জানান এই ব্রিজ নিয়ে আমি অনেক বার অনেক আন্দোলন ও এনটিপিসি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেছি,তারপরেও কোনো সুরাহা হয় নি।

কিন্তু শনিবার আবারও এনটিপিসি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নতুন ব্রিজ নিয়ে কথা বলতে গেলে এনটিপিসি কর্তৃপক্ষ জানান দিল্লি থেকে আমাদের ওই ব্রিজের অ্যাপ্রভাল দিয়ে দিয়েছে আমরা আগস্ট মাস থেকেই এই ব্রিজের কাজ শুরু করবো ৮থেকে ৯ মাসের মধ্যেই এই ব্রিজের কাজ সম্পন্ন হবে।

এই ব্রীজ তৈরি হয়ে গেলে সকল মানুষের অনেক সুবিধা হবে বলে জানান ফরাক্কার প্রাক্তন বিধায়ক তথা জাতীয় কংগ্রেসের সম্পাদক মইনুল হক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here