কুড়ি বছরের বেশি সময় কাটিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস । খারাপ থেকে ভাল, সব কিছুই দেখেছেন সামনে থেকে। এবার বিজেপিতে যোগ দিয়ে পুরনো দলের খারাপ দিক নিয়েই একের পর আক্রমণ শানাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী ।

তৃণমূল সোজাপথে ভোটের লড়াই করেনি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। যদিও এইসব অভিযোগ মানতে নারাজ তৃণমূল শিবির। এদিন কেশপুরে সভা করেন শুভেন্দু অধিকারী।

সেই সভা থেকেই শুভেন্দু অধিকারী ঘাটাল আসন থেকে কীভাবে বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষকে পরাজিত করা হয়েছে সেই তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কেশপুরে তৃণমূল জিতেছে একলক্ষ আট হাজার ভোটে।

এই ভোট লুট না হলে ভারতী ঘোষ জিততেন বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, পুলিশ যাদের সঙ্গে কেশপুর তাদের সঙ্গে। পঞ্চায়েত ভোটের সময় বিডিও অফিস ঘেরাও করে রেখে কাউকে মনোনয়ন জমা দিতে দেওয়া হয় না বলেও অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

তৃণমূলে শুভেন্দু অধিকারীর প্রথম নিশানা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনের সভা থেকেও কয়লা চোর, বালি চোর, গরু পাচারকারী বলে ভাইপোর নাম তিনি তোলেন।

এর আগে ডায়মন্ড হারবারের ফলাফল নিয়ে তিনি বলেছিলেন , সাড়ে সতেরোশো বুথের মধ্যে ১৪০০ বুথে লিড নেই। কিন্তু সাড়ে তিনশো বুথেই সাড়ে তিনলক্ষ লিড।

বামেদের তরফ থেকেও অবশ্য একই অভিযোগ আগেই তোলা হয়েছিল। ঝাড়গ্রামই হোক কিংবা পুরুলিয়া, যেখানেই শুভেন্দু অধিকারী গিয়েছেন, সেখানেই তিনি দাবি করেছেন, ২০১৮-তে ঝাড়গ্রাম ও পুরুলিয়া জেলা পরিষদে জয়ী হয়েছিল বিজেপিই।

কিন্তু রাতের অন্ধকারে পুলিশকে কাজে লাগিয়ে জোর করে জিতে যায় তৃণমূল কংগ্রেস।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here