নিজস্ব সংবাদদাতা: জন্ম সার্টিফিকেট ঠিক করার নাম করে ছাত্রী গনধর্ষন গৃহ শিক্ষকের।বারাসতে 2 অভিযুক্ত গ্রেপ্তার। ভাঙ্গচূড় অভিযুক্তের বাড়ি।

বারাসাত পুরসভা 33 নম্বর ওয়ার্ড সুভাষ পল্লী এলাকা।গৃহ শিক্ষক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস ও তার সাগরেতের বিরুদ্ধে অভিযোগ এক বছর ১৪ ছাত্রীকে গণ ধর্ষনের।এই দিন রাতে ঐ ছাত্রী দেরী করে বাড়িতে ফিরলে, বাড়ির লোক জানতে চায় কেন এত দেরী।তখন এক নাবালিকা মেয়েটি খুলে বলে গৃহশিক্ষক ও তার সাগরেত কি ভাবে তাকে ব্ল্যাকমেল করে ধর্ষণ করত।এই ঘটনার কথা এলাকার লোকজন জানতে পারলে চড়াও হয় ঐ গৃহ শিক্ষকের বাড়িতে।তাকে বাড়ি থেকে বেড় করে এনে দেওয়া হয় উত্তম মধ্যম।ক্ষুব্ধ জনতা ভাঙ্গচূড় চালায় অভিযুক্ত গৃহ শিক্ষক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস বাড়িতে।

পরে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে গৃহ শিক্ষককে জনতার কাছ থেকে।রাতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।এইদিন নির্যাতিতা নাবালিকা পুলিশ কে জানি তার জন্ম সার্টিফিকেট ভুল সংশোধনের নাম করে বেশ কয়েক দিন ধরে ঐ গৃহশিক্ষক ও তার বন্ধু তার উপর অত্যাচার করছিল।অত্যাচারের ছবি ক্যামেরাবন্দী করে ব্লাক মেল করত।তাদের পাড়ার কাছে চিকেন মোড়ে একটি বাড়িতে তারা তাকে নিয়ে যেত সেখানে তাকে দিনের পর দিন ধর্ষন করত শিক্ষক ও তার বন্ধু মিলে।এই দিন বাড়ির লোকের কাছে ঘটনার কথা খুলে বলায় পর, এলাকার রোষে ফেটে পড়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের উপর।

পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয় জনরোষের মাঝ থেক উদ্ধার করে অভিযুক্তকে গৃহ শিক্ষক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস।এই অভিযুক্ত শিক্ষক কে গ্রেপ্তারের পরই তার স্ত্রী দাবী করে তার স্বামীকে ফাঁসানো হয়েছে।তার দাবী তার স্বামী এলাকায় বিজেপি পার্টির কর্মী।আর সেই অপরাধে এক নাবালিকাকে দিয়ে মিথ্যা মামলা সাজিয়েছে শাষক দল।অন্যদিকে বারাসত পুরসভার ৩৩ নং ওয়ার্ডে তৃনমুলের আহ্বায়ক মিলন সর্দার বলেন অভিযুক্ত বিজেপি করে বলেই ছাত্রী সঙ্গে এমন জঘন্য কাজ করতে পারে। ওটা ওদের সংস্কৃতি।এলাকার লোক জানে বিপুল চন্দ্র বিশ্বাসকি করেছে।রাতেই পুলিশ আর এক অভিযুক্ত এর জন্য তল্লাশি শুরু করেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here